• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :
বিশ্ব স্ট্রোক দিবস: স্ট্রোকের ঝুঁকি, রিহ্যাবের সংকট ও পুনর্বাসনে সচেতনতার আহ্বান তুরাগ নদ থেকে বিমানবাহিনীর সাবেক কর্মকর্তা তাহসিফের মরদেহ উদ্ধার হত্যা মামলায় মাগুরার সাবেক ওসি ও এসআই জেলহাজতে ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচন: পক্ষপাতিত্বের অভিযোগে ৯ কর্মকর্তা প্রত্যাহার সন্ত্রাসবিরোধী মামলায় জলঢাকা পৌরসভার সাবেক মেয়র গ্রেপ্তার রানীরবন্দরে বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী ব্যবসায়ী নিহত “ভালো থেকো আমার না হওয়া মহারানী” চলন্ত ট্রাকে আড়াই ঘন্টা ঝুলে ৩২ লাখ টাকার ইয়াবা জব্দ করলেন সিপাহি জয়পুরহাট রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে দুই দিনব্যাপী কর্মশালা শুরু দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত বেড়ে ৪

আলু খেয়ে রোজা রাখছেন শরণার্থীরা

আন্তর্জাতিকআন্তর্জাতিক ডেস্ক: নিয়মিত আলু সিদ্ধ খেয়ে রমজান পালন করছেন গ্রিসের শরণার্থীরা। তাদের ইফতার আর সেহরিতে আলু ছাড়া আর কিছুই নেই। এমনকি যে পানিটা তারা পান করছেন সেটাও বাথরুমের লাইন থেকে সংগ্রহ করা।

এথেন্সের স্কিচটো ক্যাম্প ঘুরে শুক্রবারে এ নিয়ে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। গ্রিসে আটকে পড়া ৪৫ হাজার শরণার্থীর মধ্যে ১ হাজার ৭শ’ জনকে এখানে রাখা হয়েছে বলে জানিয়েছে প্রতিবেদনটি। এদের মধ্যে ৭শ’ ব্যক্তি নিয়মিত রোজা রাখছেন বলে জানিয়েছে স্কিচটো ক্যাম্পের নারী শরণার্থী শাহনাজ সাদাত।

তিনি বলেন, ‘প্রতি রাতে শুধু আলু খেয়েই সেহরি করতে হয়। সন্ধ্যার ইফতারেও থাকে শুধু সেদ্ধ আলু। কয়েকমাস ধরে শুধু আলু খেতে খেতে ক্লান্ত হয়ে গেছি আমরা। আর খেতে পারছি না।’ তিনি আরও বলেন, ‘এই খাবার খেয়ে বেঁচে থাকাই কষ্ট। রোজা করা আরো কষ্টকর হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে শিশু ও নারীদের জন্য অমানবিক হয়ে যাচ্ছে।’

এদিকে গ্রিস সরকারের এক মুখপাত্র জানায়, ‘এ বছরের ফেব্রুয়ারি হঠ্যাৎ করেই বলকান রাষ্ট্রগুলো সীমান্ত বন্ধ করে দেয়। এ কারণেই শরণার্থীরা আটকা পড়ে গ্রিসে। অধিকাংশ শরণার্থীরাই আগানিস্তান থেকে এসেছে। পরিকল্পনা ছাড়া এতো শরণার্থীর চাপ সামলাতে সরকারও হিমশিম খাচ্ছে। তবে তাদের পর্যাপ্ত সুবিধা দেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

শরণার্থীদের খাবারের ব্যাপারে তিনি এএফপিকে বলেন, ‘শিম, আলু সিদ্ধ, ডিম সিদ্ধ, পাস্তা, মুরগি, ভাত এবং ডাল খেতে দেয়া হচ্ছে তাদের।’ এদিকে রমজানের ব্যাপারে ক্যাম্পটির সুপারভাইজার পানাজিওতিস বলেন, ‘সন্ধ্যায় একবারে সেহরি এবং ইফতার দিয়ে দেয়া হয় তাদের।’

অন্যদিকে সাধ্যের বাইরেও থাকার পরিবেশ নিয়েও অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন চারমাসের গর্ভবতী শাহনাজ। তিনি বলেন, ‘প্রচণ্ড গরমে সারাদিন তাঁবুতে থাকাটা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।’ আফগানিস্তানের বিশ্ববিদ্যালয়ের থেকে পাস করা বিজনেস গ্র্যাজুয়েট মোহাম্মদ মাহাদী বলেন, ‘বাড়ির মতো তো আর সুযোগ-সুবিধা আশা করি না এখানে। তবে সব কিছুই প্রয়োজনের তুলনায় অনেক কম।’


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ